শুরুর কথা – Done

ক্যালিডোস্কোপ – বিশুদ্ধ উচ্চারণে ক্যালাইডোস্কোপ। কিন্তু প্রথম যে নামে চিনেছি তারে সেই নাম-ই রয়ে গেল এইখানে।

ছোটবেলার সবচেয়ে প্রিয় খেলনাগুলোর একটি। তিন আয়নাভরা একটা নলের এক প্রান্তে কয়েকটা রঙ্গীন, হালকা, টুকিটাকি টুকরো–ভাঙ্গা চুড়ি, ছোট পুঁতির দানা। নল ঘোরালে, আয়নারা ঘোরে, টুকরোরা ঘুরে ঘুরে রচনা করে ছবির পর ছবি, অজস্র, অফুরান; এক মুহুর্তের ছবি পরের মুহুর্তে হারিয়ে যায়।

সামান্য উপাদান, গড়পড়তা বালকের জীবনের টুকিটাকি। ক্যালিডোস্কোপ ঘুরছে আর সেই সব উপাদানের কিছু কিছু নিয়ে গড়ে উঠছে একেকটি ছবি। নির্দিষ্ট কোন পরম্পরার বাধ্য-বাধকতা নয়। যখন যেমন মনে পড়ে। এক-ই ঘটনা হয়ত উঠে আসে, বারে বারে, অন্য অন্য ছবি হয়ে।

এক সময়ের ব্যস্ত অনলাইন লেখক সমাবেশে – সচলায়তন। সেখানে এই স্মৃতিচারণ শুরু করার দিনগুলোয় লেখক বন্ধু আয়নামতি সন্ধান দিয়েছিলেন একটি কবিতার – জীবন রঙ্গীন কাঁচ। কবি ইন্দিরা দাশ। কবিতার ধরতাই – “চলো ক্যালিডোস্কোপ‘টা ভরে জীবনটা দেখে নিই একবার।” সেই শুরু। পরবর্তীতে গুরুচণ্ডা৯-র পাতায় নতুন করে ক্যালিডোস্কোপে দেখা শুরু করি। এবার তাদের এক জায়গায় করে দুই মলাটের মধ্যে নিয়ে আসা হল।

ক্যালিডোস্কোপ – বিশুদ্ধ উচ্চারণে ক্যালাইডোস্কোপ। কিন্তু প্রথম যে নামে চিনেছি তারে সেই নাম-ই রয়ে গেল এইখানে। ছোটবেলার সবচেয়ে প্রিয় খেলনাগুলোর একটি। তিন আয়নাভরা একটা নলের এক প্রান্তে কয়েকটা রঙ্গীন, হালকা, টুকিটাকি টুকরো–ভাঙ্গা চুড়ি, ছোট পুঁতির দানা। নল ঘোরালে, আয়নারা ঘোরে, টুকরোরা ঘুরে ঘুরে রচনা করে ছবির পর ছবি, অজস্র, অফুরান; এক মুহুর্তের ছবি পরের মুহুর্তে…